রুচির দুর্ভিক্ষ আছে বলেই মানুষ ইসলামি সংস্কৃতি ছেড়ে পশ্চিমা সংস্কৃতি ধরেছে। রুচির দুর্ভিক্ষ আছে বলেই মানুষ রবের ইবাদত ছেড়ে শয়তানের আনুগত্য করছে। রুচির দুর্ভিক্ষ আছে বলেই প্রকৃত বীরদের বাদ দিয়ে মানুষ কৃত্রিম অভিনেতাদের প্রশংসায় মেতেছে। রুচির দুর্ভিক্ষ আছে বলেই মানুষ ক্রীড়া-কৌতূক, বিনোদন ও অবাধ যৌনতাকেই জীবনের প্রধানতম লক্ষ্য বানিয়ে নিয়েছে। রুচির দুর্ভিক্ষ আছে বলেই দাজ্জালি আদর্শের ধারকরা রহমানের বান্দাদের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছে।
মুসলমানদের রুচিতে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। একসময় যারা সুখ খুঁজে পেত শাহাদাতের সুধা পানে, এখন তারা ছুটে বেড়ায় দাসত্বভরা দীর্ঘ জীবনের সন্ধানে। একসময় যারা অপার্থিব স্বাদ পেত সৃষ্টিকর্তার ইবাদতে, এখন তারা স্বাদ খুঁজে বেড়ায় ফ্রি সেক্স আর মাদকের সরঞ্জামে। রুচির দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে বলেই মডেল-অভিনেত্রী আর নর্তকী-গায়িকারা হয়ে গেছে সকলের চোখের তারা ও কলিজার টুকরা; রুচি ঠিক থাকলে মুসলিম যুবকরা তাদের দিকে দুচোখ মেলেও তো তাকাত না।
সুতরাং রুচির দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে, বিষয়টি সত্য। এরা প্রত্যেকেই এর পক্ষে সুস্পষ্ট প্রমাণ। চাক্ষুষ প্রমাণ থাকলে তাত্ত্বিক যুক্তির প্রয়োজন পড়ে না। তাই এ দাবির পক্ষেও লম্বাচওড়া দার্শনিক আলাপের দরকার আছে বলে মনে হয় না।
