নির্বোধরা জ্ঞানীদের ব্যক্তিত্ব ও আত্মমর্যাদাবোধকে অহংকার মনে করে। আভিজাত্য ও রুচিশীলতাকে বিলাসিতা মনে করে। ভদ্রতাকে দুর্বলতা মনে করে। বিরতিকে ব্যার্থতা মনে করে। যোগ্য অভিভাবকদের সোহাগ ও শাসনের ভারসাম্যপূর্ণ আচরণকে নেফাক বা কপটতা মনে করে। যোগ্য নেতৃত্বের দূরদর্শী চিন্তা ও পদক্ষেপকে গতিহীনতা ও ভ্রষ্টতা মনে করে।
বিশিষ্টজনদের যে কোন ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ও বিব্রত করতে পারাকে গর্বের কাজ মনে করে। প্রজ্ঞাপূর্ণ কথার মর্মার্থ না বুঝে অজ্ঞতাপ্রসূত মন্তব্য ছুঁড়ে দেয়াকে বিশেষ পাণ্ডিত্য মনে করে।
যথেষ্ট অসৎ অযোগ্য ভনিতাবাজ অপরিনামদর্শী ব্যক্তিদেরকেই তারা দারুণ দরদী ও সাহসী নেতা মনে করে। তাদের অবিবেচনাপ্রসূত অবাস্তব বাণী ও বক্তব্যে উদ্বেলিত ও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে। নিজেদের কল্পিত মুর্খতার জগতে প্রচণ্ড আত্মতৃপ্তিতে বুঁদ হয়ে থাকে। কারণ তারা তাদের নিজেদের জ্ঞানশূন্যতার মাত্রা সম্পর্কে মোটেও জ্ঞান রাখে না।
এদের এ অবস্থাকে অনিরাপদ ও অনুপযুক্ত ভেবে যোগ্য লোকেরা নিজ থেকেই নিঃস্ক্রীয় হয়ে যান।
যুগ যুগ ধরে এ ধারাই চলমান।
-----------------------------
লেখক: কবি মুহিব খান
